আশুলিয়ায় দলীয় ক্ষমতা ব্যবহার করে চাঁদাবাজীতে মো :লতিফ মন্ডল

প্রকাশিত: ১১:৩৩ পূর্বাহ্ণ, মে ৩, ২০২১

নাসরিন আক্তার নদী স্টাফ রিপোর্টার

আশুলিয়া বলিবদ্র বাজার থেকে নতুন রপ্তানি পর্যন্ত দলীয় ক্ষমতা ব্যবহার করে প্রকাশ্যেই চলছে চাঁদাবাজি, সরকারি দপ্তরের সামনে রাস্তার পুর্ব পাড় কাঁচা বাজার থেকে বাস্টার্ড এবং পশ্চিমে দোকান পাট বসিয়ে প্রকাশে চাঁদা নিচ্ছে মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন চলছে চাঁদাবাজী,ভাসমান দোকান থেকে নুরনাহার। পূর্ব পাড় মাছ বাজার ও কাঁচা বাজারে কামাল ও রিপন।

বিভিন্ন সময়ে সড়ক ও জনপদের উদ্যোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত ও উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হলেও কোন এক অদৃশ্য কারণে আবার দোকান পাট বসিয়ে ফুট দখল করে চাঁদা আদায় করে আসছেন এরা।

আর রপ্তানি ছুটি কালীন সময়ে ফুট দখল থাকায় পথচারীরা নেমে যায় রাস্তায় লেগে থাকে দীর্ঘ যানজট। প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট বড় দূর্ঘটনা,
দশ মিনিটের রাস্তায় লেগে যাচ্ছে ঘন্টার পর ঘন্টা ।

এমন দৃশ্য সহ বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ ধামসোনা ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ, লতিফ মন্ডল এর নেতৃত্বে বলিবদ্র বাজার হকার্স লীগের সভাপতি মো: জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হলে সে প্রমোশন পায়।

এমন দৃশ্য সহ বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হলেও প্রশাসন থাকছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে, রয়েছেন নিরব।

এলাকাবাসী জানানঃ বর্তমানে রাজনীতির মাধ্যমে দলীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে সরকারি দপ্তরের সামনে রপ্তানিতে রাজত্ব করছেন মো:লতিফ মন্ডল সভাপতি ধামসোনা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ। সহ তার সন্রাসী বাহিনী।

শুধু তাই নয় লতিফ মন্ডলের নেতৃত্ব তার এলাকা তালপট্টি জিম্মি। এর নেতৃত্বে চলছে মাদক সেবন, মাদক ব্যবসা, জুয়া খেলা সহ সন্রাসী কর্মকান্ড।

কতদিন আগে কামাল ও রিপন কেঁচিনো জুয়ার মামলায় জেল খেটে জামিন পেয়ে আবার ও চাঁদা আদায় করে আসছেন। এসকল বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করলে দেওয়া হচ্ছে হুমকি।

এরা কি আসলেই বঙ্গবন্ধুর আর্দেশের সৈনিক ,দলের সার্থে কাজ করেন এরা, না দলীয় ক্ষমতার প্রভাবে চাঁদাবাজি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধামসোনা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি আব্দুল লতিফ মন্ডল বলেন আমি কোন চাঁদা বাজি করি না দলের বিভিন্ন মিটিং মিছিলে জাহাঙ্গীর এই লোক গুলো দেয়। এই সুবাদে এরা এখানে কর্মকরে চলে।

ঘটনা সুত্রে জানা যায়ঃ উক্ত স্থান প্রায় এক হাজার দোকান রয়েছে, প্রতিটি দোকান মালিকের কাছ থেকে একটি মোটা অংকের টাকা অগ্রিম নিয়ে, প্রতিদিন বিভিন্ন অযুহাতে চাঁদা আদায় করে আসছেন। এখান থেকে প্রতিদিন দুই লক্ষাধীক টাকা ও
প্রতি মাসে চাঁদা আদায় হয় প্রায় অর্ধকোটি টাকা। যাহার পুরোটাই নিয়ন্ত্রণ করেন মো:লতিফ মন্ডল।

এবিষয়ে চাঁদা উত্তোলন কারি মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন এখান থেকে শুধু লতিফ মন্ডল কে নয় অনেক কেই ম্যানেজ করে ফুট চালাতে হয় আমাদের।

নুননাহার জানান। আমরা কর্মি টাকা উঠিয়ে শুধু লতিফ মন্ডল নয় এই টাকা পুলিশ বক্সে দেই বিশ হাজার, রিপোর্টার্স ক্লাবে দশ হাজার প্রতি মাসে চাঁদা আদায় হয় ৭০/৯০ হাজার টাকা। এবং আশুলিয়া থানায় ও দিতে হয় উক্ত টাকা।

অপর দিকে রাস্তার পুর্বপাড় বাস্টার্ড বসিয়ে কিস্তি উঠানোর নামে আলিফ, বাদশা,ও মোহনা, গাড়ির ষ্ট্যান্ড করে সেখান থেকে চাঁদা আদায় করছেন টুটুল নামে এক ব্যক্তি। দোকান মালিকেরা জানান করোনা মহামারীতে আমরা অসহায় কর্মহীন হয়ে রাস্তার পাশে দোকান বসিয়ে ব্যবসা করে কোন ভাবে জীবন যাপন করছি।

দীর্ঘদিন যাবত ফুট দখল করে চাঁদা বাজী করে আসছেন মো:লতিফ মন্ডল সহ তার সন্রাসী বাহিনী। লতিফ মন্ডলের খুঁটির জোর কোথায়।

প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ও বিভিন্ন প্রশাসনের বক্তব্য সহ বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হলেও কোন ভাবেই বন্ধ হচ্ছে না চাঁদা আদায়।

উপরোক্ত বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সুদৃষ্টিতে বন্ধ হতে পাড়ে চাঁদা বাজী। বিভিন্ন দুর্ঘটনা সহ এই সন্রাসী বাহিনীর অত্যাচার ও নির্যাতন থেকে রক্ষা পাবে শ্রমজীবি খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ।