জনপ্রিয়তার শীর্ষে ভোলার বোরহানউদ্দিন ৭নং টবগী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী বেলায়েত হোসেন

প্রকাশিত: ৬:৩২ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৬, ২০২১

মোঃ সাইফুল ইসলাম আকাশ
জনপ্রিয়তার শীর্ষে ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার ০৭ নং টবগী ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান প্রার্থী জনাব বেলায়েত হোসেন।
একজন মানুষের বড় সার্থকতা,জিবনের পরম পাওয়া এবং সফলতা হলো একটি অঞ্চলের আর্থ সামাজিক কাঠামো ও রাজনৈতিক দর্শনে মানুষের মধ্যে ব্যাপক পরিবর্তন আনা। একই সঙ্গে উন্নয়নে, সমৃদ্ধিতে পরিবর্তনের সেই ধারা ধরে রাখা। বলিষ্ঠ নেতৃত্বই সেই সফলতার মূল চাবিকাঠি। আর সেই সফল মানুষটি হলেন,বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী ৭নং ইউনিয়ন এর মাটি ও মানুষের নেতা গরিবের বন্ধু,অসহায় আর পথহারা মানুষের পথপ্রর্দশক ভোলা বোরহানউদ্দিন ৭নং টবগী ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জনাব বেলায়েত হোসেন।
৭নং টবগী ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান প্রার্থী বেলায়েত হোসেন রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান।
তাঁর বাবা মরহুম কয়ছর আহম্মেদ ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা।জাতীয় নেতা সাবেক ডাকসু ভিপি,সাবেক বানিজ‍্য মন্ত্রী এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মন্ত্রী পরিষদের সদস‍্য ও রাজনৈতিক সচিব আলহাজ্ব তোফায়েল আহমেদ এর মাধ্যমে তিনি গড়ে উঠেন আর্দশ রাজনৈতিক ব‍্যক্তি হিসাবে।
বর্তমানে তিনি সকল কার্যক্রম পরিচালনা করছেন ভোলা২ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য জননেতা আলহাজ্ব আলী আজম মুকুল এমপি এবং পৌর মেয়র আলহাজ্ব রফিকুল ইসলামের সাথে পরামর্শ করে।
জানা যায় ছাত্রজীবন থেকেই বেলায়েত হোসেন জননেতা তোফায়েল আহমেদ এর মাধ‍্যমে রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন,ছাত্রলীগ,যুবলীগ,আওমী লীগের প্রতিটি কার্যক্রমে ছিলেন সবার সামনে।পদ নিয়ে কখনো ও মাথা ব‍্যাথা ছিল না তবুও যে দলকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হলে তাকেই হাল ধরতে হবে তাও তিনি যানতেন তাইতো নিজের স্বার্থে নয় দলের স্বার্থে
১৯৯২ সালে টবগী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি হন।১৯৯৫ সালে শাহাবাজপুর সরকারি কলেজের সভাপতি, ১৯৯৬ সালে একই কলেজের ছাত্র সংসদের এ. জি. এস নির্বাচিত হন।
১৯৯৮ সালে তিনি বোরহানউদ্দিন উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক, ২০০৪ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। উল্লেখ্য যে ২০০৩ সালে ভোলা জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি হিসেবে ও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।
বর্তমানে ৭নং টবগী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগে সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
১৯৯৪ সালে ভোলা জেলখানায় থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন।এছাড়া কর্মজীবনে কাচিয়া টবগী ইপি ডিগ্রী কলেজের বি. পি.এড শিক্ষক।তিনি বলেন আমার জীবনে রাজনীতি থেকে কিছু চাওয়া পাওয়ার নেই।লোভ লালসা কোন কিছুই আমাকে জীবনে স্পর্শ করতে পারেনি,ইনশাআল্লাহ আশা রাখি পরবর্তী জীবনেও পারবেনা। আমৃত্যু ন্যায়-নীতি,সত্যের পথে অবিচল থেকে আমি আলী আজম এমপির পক্ষে কাজ করে যাব ইনশাল্লাহ। তিনি বলেন প্রত্যক্ষভাবে জনাব তোফায়েল আহমেদ এমপি আমার অভিভাবক এবং রাজনৈতিক শিক্ষক । রাজনীতির এই আকাবাকা পথে হাটতে গিয়ে তাকেই আমি অনুকরন অনুসরণ করার সুযোগ পেয়েছি তাই আমি মনে করি তিনিই আমার রাজনীতির শিক্ষক এবং বর্তমান অভিভাবক।বেলায়েত হোসেন তার রাজনৈতিক দিক থেকে সবসময় ভাবতেন পদের চেয়ে দল বড় এ কথা এখন ও শুনা যায় দলীয় অনেক নেতা কর্মীর কাছে।
তিনি সবসময় বাস্তবকে বিশ্বাস করতেন বর্তমানে ও দেখা যায় তিনি যা বলেন, তাই করেন। মানে নগদ কথা বলেন, নগদে কাজ করে দেখিয়ে দেন। যে যাই বলুক না কেন, তিনি বাকির খাতায় কোনো কাজ বা কথা ফেলে রাখেন না। এজন্য আমজনতা গরিব-বৃদ্ধ সবাই তাকে ভালোবেসে। জানা যায় বর্তমানে মরনব‍্যাধি করোনা ভাইরাসে যেখানে মা,বাবা থেকে সন্তান পৃথক হয়ে যায় সেখানে এই জনতার প্রতিনিধি হিসেবে জনগনের সেবক হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন,গরিব আর অসহায় পরিবারকে সহযোগিতা করেছেন।
এছাড়া ও জনগনের আস্থা আর ভালোবাসার প্রতীক হিসাবে সবাই দেখছে তাকে।করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে কর্মহীন হয়ে পড়া হতদরিদ্র পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী ও পৌছে দিয়েছেন ৭নং টবগী ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান প্রার্থী বেলায়েত হোসেন।
তিনি ছোট-বড় সবার সাথে চলছে সাধারণ ভাবে।যেখানেই অসহায় মানুষ সেখানেই ছুটে যান তিনি দেখেন না কে কোন দলের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন সাথে সাথে।সবাই দলমত নির্বিশেষে ভালোবেসে যাচ্ছেন তাকে। এমন অনন্য চলন,স্পষ্টবাদীতা, ভালোকে ভালো বলে পুরষ্কৃত করা,খারাপকে খারাপ বলে তিরষ্কার করার সৎ সাহস ধারণ করা, নিত্য গণমানুষের জন্য কল্যাণমুখী রাজনীতির চর্চা করা, নগদ সিদ্ধান্ত, নগদে সাফল্যে আজ তিনি রাজনৈতিক অঙ্গনেও বেশ আলোচিত।বিশেষণ,এতো আলোচনা, এতো সাফল্য। এগুলো তো একজন মানুষের জীবনে একদিনে অর্জিত হয় না। বিশেষ করে নিত্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা মুখর রাজনীতির মাঠে। যেখানে পক্ষ-প্রতিপক্ষ দুইপক্ষেরই আতশ কাচের নিচে থাকতে হয় সৎ সাহসী রাজনীতিবিদকে। এখানেই একজন বেলায়েত হোসেন। তিনি রাজনীতিতে এসেছেন গণমানুষের পাশে থাকতে, তাদের সুখ-দুঃখের অংশীদার হতে। দেখা যায় বিভিন্ন সময় একা মোটরসাইকেল নিয়ে বের হয়ে যান গ্রামের পথে পথে। খোঁজ খবর নেন সাধারণ মানুষ,তৃণমূলের নেতাকর্মীদের।তিনি সময় নিয়ে,উদ্দেশ্য নিয়ে, লক্ষ্য ঠিক করে পরিকল্পনা করে গণমানুষের রাজনীতি করতে এসেছেন। তিনি তোফায়েল আহমেদের মতো বঙ্গবন্ধুর আদর্শ লালন করা শেখ হাসিনার কর্মী হয়ে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে তার পদচারণা শুরু হয়। জনগনের সাথে সরাসরি সম্পর্কের সেতুবন্ধন স্থাপন করেন তিনি। তিনি সবসময়েই নির্যাতনের শিকার বঞ্চিত নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন।ভোলা ২ আসনের সংসদ সদস‍্য আলহাজ্ব আলী আজম মুকুলের দিকনির্দেশনায় এলাকার মানুষের সেবক হয়ে কাজ করে যাচ্ছি।এদিকে এলাকার সুবিধা বঞ্চিত,অসহায় আর দলীয় নেতা কর্মীদের বাংলাদেশ সরকারের সফল প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশের আওয়ামীলীগের সভাপতি জননেত্রী শেখহাসিনা,সাবেক মন্ত্রী জনাব তোফায়েল আহমেদ এমপি,ভোলা ২ আসনের বতর্মান জনপ্রিয় সংসদ সদস‍্য জনাব আলী আজম মুকুলের কাছে একটাই দাবি বেলায়েত হোসেনকে যেন বোরহানউদ্দিন উপজেলার ৭ নং টবগী ইউনিয়নের নির্বাচনে দলীয় ভাবে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে নৌকা প্রতিক দেওয়া হয়।
পরিশেষে তিনি বলেন সততা ও বিশ্বাস নিয়ে আমি পথ চলতে চাই।