কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলা মথুরাপুর ইউনিয়ন বাসীর প্রাণের দাবি চেয়ারম্যান হিসাবে দেখতে চাই মারুফা ইয়াসমিন সুরভী আপাকে।

প্রকাশিত: ৫:৫৫ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ২৩, ২০২০

কুষ্টিয়া দৌলতপুর প্রতিনিধি :::

মথুরাপুর ইউনিয়ন বাসীর প্রাণের দাবি মারুফা ইয়াসমিন সুরভী আপা হবেন আমাদের যোগ্য চেয়ারম্যান। যিনি সু-শিক্ষিত মেধাবী , সৎ,স্পষ্টভাষী, সুপরিচিত এবং সুনামধন্য আল্লারদর্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক।
মারুফা ইয়াসমিন সুরভী আপার বাবা প্রয়াত রাজনীতিবিদ মহাব্বত হোসেন বিশ্বাস যিনি ছিলেন আওয়ামীলীগের দুঃসময়ের ত্যাগী নেতা ও আওয়ামীলীগের থানা সহ সভাপতি এবং স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি। দলের জন্য যিনার ত্যাগ ছিল সর্বোচ্চ এবং জনগনের জন্য ছিলেন নিবেদিত প্রাণ।
তাইতো মারুফা ইয়াসমিন সুরভী আপা স্বভাবজাত নেতৃত্বের গুণাবলী সম্পন্ন মানুষ, রক্তে তার নেতৃত্ব। বাবা প্রয়াত রাজনীতিবিদ মহাব্বত বিশ্বাসের যোগ্য উত্তরসূরী তিনি। বাবার আদর্শ ও নেতৃত্ব মারুফা ইয়াসমিন সুরভী আপার রক্তে প্রবাহিত।
প্রয়াত মহাব্বত বিশ্বাসের প্রতিচ্ছবি মারুফা ইয়াসমিন সুরভী আপার মধ্যে সবাই দেখতে পান, তাই মথুরাপুর ইউনিয়ন বাসীর দাবি এবার চেয়ারম্যান হিসেবে মারুফা ইয়াসমিন সুরভী আপাকে দেখতে চাই।
পারিবারিক পরিচিতির বাইরেও ইউনিয়ন, উপজেলা সহ জেলাতেও শিক্ষক ও রাজনীতিবিদ ও সমাজকর্মী হিসেবে আপার নিজের ব্যাপক একটা পরিচিতি আছে । এই করোনা কালীন দুঃসময়ে তিনি এবং তার পরিবার জনগণের পাশে সবসময় থেকেছেন। বলা যায়, জনগণের সেবা করতে গিয়ে মারুফা ইয়াসমিন সুরভী আপা করোনায় আক্রান্ত হয়ে জীবন-মরণ মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থেকে বেঁচে ফিরেন। তিনি একজন করোনা যোদ্ধাও বটে। শিক্ষিত, সামাজিক ও সচেতনশীল, পরিবর্তন চাওয়া ভোটারদের ১ম পছন্দের নাম “মারুফা ইয়াসমিন সুরভী আপা”, যাকে সবাই ভালোবাসেন ও সম্মান করেন।

“মারুফা ইয়াসমিন সুরভী” তিনি সমাজ এর অবহেলিত মানুষের কান্ডারী! তিনি নিজে যেমন অন্যায় করেন না,তেমনি অন্যায় সহ্য করেন না। মথুরাপুর ইউনিয়নের মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, মারুফা ইয়াসমিন সুরভী আপা নীরবে নিভৃতে মানুষের জন্য সবসময়ই কাজ করেন। মানুষের বিপদ আপদে সব সময় নিজের সর্বোচ্চ বিলিয়ে সহযোগিতা করেন এবং অকৃত্রিম ভালবাসা ও সুন্দর ব্যবহার দিয়ে আপা মানুষকে আপন করে নেন। মারুফা ইয়াসমিন সুরভী আপাকে যারা চেনেন, জানেন এবং যারা আপার সান্নিধ্যে এসেছেন তারা অনায়াসে মারুফা ইয়াসমিন সুরভী আপার ব্যাবহারে মুগ্ধ হয়ে আপাকে ভালবেসে ফেলেন।