কে হচ্ছে সভাপতি কে হচ্ছে সম্পাদক

প্রকাশিত: ৮:০০ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ১৭, ২০২০

রবিউল হক-হিমু
বাঙ্গরা বাজার থানা প্রতিনিধি

ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগের চালিকা শক্তি হিসেবে ধরা হয় যুবলীগের মত একটি অঙ্গ সংগঠনকে।নির্বাচন থেকে সভা সেমিনার পর্যন্ত আওয়ামীলীগের জন্য বিশ্বস্ত ভ্যান গার্ড হিসেবে কাজ করছে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ।

নবগঠিত বাঙ্গরা বাজার থানার প্রভাবশালী নাইম-নজরুল কে আহবায়ক ও যুগ্ম আহবায়ক করে আহবায়ক কমিটি করা হয়।এর আওতাধীন ১০ টি ইউনিয়নের আহবায়ক কমিটির পর মূল কমিটির কাজ করছে যুবলীগের থানা আহবায়ক কমিটি।এর মধ্যে ১নং শ্রীকাইল ও ২২ নং টনকি ইউনিয়নের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলণ সফল করেছে দলটি।

এর মধ্যে ১৯ ডিসেম্বর বাংগরা সদর ইউনিয়ন ও ২৬ শে ডিসেম্বর পূর্ধইর পঃ ইউনিয়নের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলণ হবার কথা রয়েছে।হাতে সময় রেখেই ব্যানার ফেস্টুন ও পোস্টারে ছেয়ে যাচ্ছে ইউনিয়নের আনা কোনা।প্রার্থীতা ও দাবি করছে দলের নতুন ও পুরাতন মুখ অনেকেই।

কয়েক মাস পূর্বে খায়ের কে আহবায়ক ইকবাল কে যুগ্ম আহবায়ক করে ইউনিয়ন আহবায়ক কমিটি ঘোষনা করেছে বাংগরা বাজার থানা যুবলীগ।ইতিমধ্যে ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের কাউন্সিল সম্পূর্ণ করেছে ইউনিয়ন আহবায়ক কমিটি।

পূর্বধইর পঃ ইউনিয়নের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলণে খায়ের,সাগর,নতুন মুখ সোহেল সভাপতির দাবিদার।অন্যদিকে ইকবাল,মোস্তফা ও দলের নতুন মুখ মোমেন দাবি করছে সাধারণ সম্পাদকের।সম্মেলণ কে কেন্দ্র করে যার যার অবস্থান থেকে দৌড়া দৌড়ি করছে প্রার্থীতা দাবিদার অনেকেই।

দলের সিনিয়র নেতারা বলছে শক্ত সংগঠকের মধ্যেই উঠে আসবে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক।দেশরত্ন শেখ হাসিনা ও কুমিল্লা ৩ মুরাদনগর উপজেলার সাংসদ ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুনের হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষে শুরু থেকে দলের জন্য ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন করা হবে বলে জানান বাঙ্গরা বাজার থানা যুবলীগ।