লালমোহনে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা

প্রকাশিত: ৯:২২ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৯, ২০২০

মিজান পাটোয়ারীঃ
লালমোহন উপজেলায় রমাগঞ্জ ইউনিয়নে ফজিলতুন্নেসা লিলুফা গং রায়চাঁদ মৌজায় এক একর চুরাশি শতাংশ জমি খরিদ করে বাড়িঘর বিটি বাগান পুকুর সৃজন করে কিছু নাল জমি সহ প্রায় 35 বছর ভোগ দখলে আছেন। লিলুফা গং এর ভোগ দখলীয় এস,এ 40 ও এস,এ 41 নং খতিয়ানে 1851/1852/1847/ 1855 দাগেএক একর চুরাশি শতাংশ জমিতে আলাউদ্দিন গং দখলের পাঁয়তারা করে। আলাউদ্দিন গং কয়েক বছর পূর্বে লিলুফা গং এর নিকট জমি দাবী করলে স্থানীয়ভাবে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিগণ উভয়পক্ষের কাগজপত্র দেখেন। আলাউদ্দিন গং 41 নং খতিয়ানে জেবল হক ,এনায়েতুল্লাহ ওকে কেফায়েতুল্লার নামে রেকর্ডকৃত 69 শতাংশ জমি দাবি করেন ।লিলুফা জানান উক্ত জেবল হক, এনায়েতুল্লাহ,কেফায়েতুল্লা20/05/1953 সনে চর ফেশন সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে রেজিস্ট্রিকৃত 2079 নং দলিল আব্দুল গফফার এর নিকট এক একর আটাশ শতাংশ জমি বিক্রি করেন। আবদুল গফফার এর মৃত্যুতে আমরা তাহার ওয়ারিশদের নিকট হইতে জমি খরিদ করে ভোগ দখলে আছি এবং বর্তমান জরিপে আমাদের নামে রেকর্ড হয় আব্দুল গফফার ও তার ওয়ারিশগণ আমাদের খরিদের পূর্বে প্রায় 30 থেকে 35 বছর ভোগ দখলে ছিল।আমরা উক্ত দলিল এবং আমাদের খরিদা দলিল দাখিল করে জেবল হক গং এর রেকর্ডের বিরুদ্ধে মোকাম লালমোহন সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে দেওয়ানী মামলা দাখিল করি যাহার নং 108 /2016 ইং।আলাউদ্দিন গং আমাদের ভোগ দখলীয় জমি দখলের চেষ্টা করলে এবং একটি কুচক্রী মহলেকে দলিল দেয়ার চেষ্টা করলে আমরা আদালতের নিকট নিষেধাজ্ঞার প্রার্থনা করি,আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করেন। আলাউদ্দিন গং নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে আমাদের জমি দখলের পাঁয়তারা করে এবং আমাদেরকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেয়।আমরা বিষয়টি স্থানীয় চেয়ারম্যান,মেম্বার ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কে জানাই।