দৌলতখানে সড়ক দুর্ঘটনায় নিতহ এক ও আহত ১৫

প্রকাশিত: ৯:৪৫ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৮, ২০২০

এম এ আশরাফ, দৌলতখান (ভোলা) প্রতিনিধিঃ
ভোলার দৌলতখানে বুধবার (১৮ নভেম্বর) বিকেল তিনটার সময় চরখলিফা মোড় সংলগ্ন যাত্রিবাহী বাস ও থ্রি-হুইলার মাহিন্দ্রা প্রতিযোগিতামূলক চালাতে গিয়ে বাসের সাথে ধাক্কা খেয়ে ছয় জন যাত্রীসহ মাহিন্দ্রাটি রাস্তার পাশের খাদে পড়ে যায়। এতে পথচারী হোটেল বয় তামজিদ (১৫) ঘটনাস্থলেই মারা যায়। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ১৫ জন।

নিহত তানজিদ উপজেলার চরখলিফা ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের ঝরু মালের বাড়ির আবদুল মালেকের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তামজিদ পথচারী ছিলেন। তিনি হোটেল এর কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন। প্রতিদিনের নেয় বাসা থেকে কর্মস্থলের উদ্দেশ্য রওনা দিলে মাঝ রাস্তায় আসলে এ দূর্ঘটনা হয়। এতে সে ঘটনা স্থলেই মারা যায়।
তারা আরো জানান, ঢাকা মেট্রো-ব-১৪-০৪৭৯ চৈতী ট্রাবেলস্ নামের যাত্রীবাহী বাস ও একটি যাত্রীবাহী থ্রি-হুইলার মাহিন্দ্রা একই সঙ্গে দৌলতখান বাসস্ট্যান্ড থেকে ছেড়ে বাংলাবাজারের উদ্দেশে রওনা দেয়। মাহিন্দ্রাটি যাত্রিবাহী বাসটিকে পেছনে রেখে এগিয়ে যাচ্ছিলো। সাইড চেয়ে বাসের ড্রাইভার বারবার ভেঁপু বাজালেও মাহিন্দ্রা চালক সাইড দিচ্ছিলো না। এ সময় চরখলিফা মাদরাসা মোড়ে এলে যাত্রিবাহী বাসটি পেছন থেকে মাহিন্দ্রাকে সজোরে ধাক্কা মারে। এতে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললে যাত্রীসহ মাহিন্দ্রাটি পাশের খাদে পড়ে যায়। খবর পেয়ে দৌলতখান ফায়ার সার্ভিসের অফিসার মোস্তফা কামালের নেতৃত্বে ফায়ার-ম্যান আমিনুল ইসলাম,সাকিল মাহমুদ ও সাইদুল ইসলাম সহ ঘন্টাব্যাপী অভিযান চালিয়ে তামজিদকে উদ্ধার করে দৌলতখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠালে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত খালেক মাঝি, আবুল খান ও কাঞ্চনকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত আমজাদ হোসেন, জাহিদ, মেহের জান, পরিমল, কাঞ্চন ও নাইম ও আরো অনেক এ দৌলতখান হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।
দৌলতখান থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ বজলার রহমান জানান, বাসটিকে জব্দ করা হয়েছে। চালককে আটক করা যায়নি। তবে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।