ভোলার বন বিভাগের বিরুদ্ধে ঠিকাদার সাংবাদিকদের ষড়যন্ত্রের নিল নক্শার অভিযোগ

প্রকাশিত: ৬:৫৮ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ১২, ২০২০

স্টাফ রিপোর্টার ॥
ভোলায় বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয়ের বিরুদ্ধে অর্ধ কোটি টাকার টেন্ডারের অনিয়মের অভিযোগ সম্পুর্ন ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন বন বিভাগের কর্মকর্তারা। ভোলার স্থানীয় কিছু সাংবাদিক যারা দীর্ঘদিন যাবৎ ঠিকাদারি কাজের সাথে সম্পৃক্ত। সেই সুত্রে বন বিভাগের এই টেন্ডারটিতেও তাদের সম্পৃক্ততা রয়েছে । এর প্রেক্ষিতে এই টেন্ডারে অংশ গ্রহন কারী সেই সকল সাংবাদিক/ঠিকাদারদের দাবি বন বিভাগের কর্মকর্তারা নিজেদের পছন্দের ঠিকাকাদারকে টেন্ডারের গোপন রেট কোড দিয়ে কাজ পাইয়ে দিতে সহযোগিতা করেছেন এবং এ নিয়ে ভোলার বন বিভাগের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগমুলক তথ্য দিয়ে ভোলার বিভিন্ন গনমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত করেছেন। এ বিষয়ে ভোলা বন বিভাগ কর্মকর্তা ভোলা টাইমস কে জানান, গত ২২ অক্টোবর ভোলা বন বিভাগের দুইটি কাজের টেন্ডার আহবান করা হয়। একটি হলো ৩৪ লাখ ৯৮ হাজার ৬৫৫ টাকা.০৯০ পয়সা ও অপরটি ১১ লাখ ৯৯ হাজার ৯৬২ টাকা.০৮০ পয়সা । সরকারি নিয়ম অনুযায়ী একটি কাজে ১৭টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও অপর একটি কাজে ১৬ টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান টেন্ডার সাবমিট করে। কিন্তু টেন্ডার সাবমিট করার সময় ঠিকাদারদের জেলা বন বিভাগ অফিসে কাজের রেট জিজ্ঞেস করলে কাজের রেট গোপন রাখা হবে বলে জানিয়েছিলেন। সকল ঠিকাদার সে অনুযায়ী যে যার মত করে রেট সাবমিট করেছে এবং টেন্ডার খোলার তারিখ ১০ নভেম্বর দেখা গেলো দুইটি কাজের একটিতে এইচ এল কর্পোরেশন ও অপরটিতে মেসার্স রহমান এন্ড সন্স নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বন বিভাগের গোপন রেট অনুযায়ী ১০% নিন্ম দরে হুবহু ওই রেট সাবমিট করেছেন। এতে বন বিভাগের কর্মকর্তাদের কোন প্রকার যোগসাজশ বা গোপনে ওই রেটের তথ্য জানানো হয়নি। উক্ত টেন্ডারটির কাজের রেট সম্পুর্ন গোপন রাখা সত্তেও ওই দুইটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কি করে হুবুহু গোপন কোড রেটে টেন্ডার সাবিমিট করলো সেটা ওই দুই প্রতিষ্ঠানের অনুমান ভিত্তিক হতে পারে বা অন্যত্র ধারনা থেকে সাবমিট করতে পারে। তবে ভোলা বন বিভাগের অফিস কর্মকর্তাদের অথবা এই অফিসের কোন কর্মচারীর নিকট থেকে এই তথ্য ফাস হয়নি বলে জানান ভোলা বন কর্মকর্তা মো. তৌফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, কি করে ওই দুই প্রতিষ্ঠানের ঠিকাদারের পক্ষে ১০% মিলিয়ে দরপত্র দাখিল করা সম্ভব হয়েছে তা আমি এখন পর্যন্ত জানিনা। তবে এ টেন্ডারটির বিষয়ে অন্যান্য ঠিকাদারদের এ অভিযোগ সম্পর্কিত যদি আমি সত্তিই কোন অনিয়মের তথ্য পেয়ে থাকি অথবা ভোলার বন বিভাগের অফিস থেকে এ গোপন রেট ফাঁস হয়ে থাকে তাহলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। ছবি ৭