ভোলার চরফ্যাশনের সোহাগের অত্যাচারে এলাকাবাসী অতিষ্ট৷

প্রকাশিত: ৬:২৬ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৭, ২০২০

চরফ্যাশন প্রতিনিধি৷
আমিনুল ইসলাম,

ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলা আছলামপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বশির আহমেদের ছেলে, জিয়া উদ্দিন সোহাগের মাছ শিকারের মহোৎসবে, প্রায় ২ শত ৫০ একর জমির ফসল পানির নিচে৷ নিজের ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে জিয়া খালের উপর তিনটি বাঁধ নির্মাণ করেছেন তিনি৷ এ বাঁধের কারনে জলাবদ্ধতায় কৃষকের মাথায় হাত৷ লক্ষ লক্ষ টাকা ঋণের বোঝা পরিশোধের দুশ্চিন্তায় কৃষক ও খামারিরা৷

সরেজমিনে দেখা যায়, ওমরপুর (সাবেক আছলামপুর) ৬নং ওয়ার্ড বশির আহাম্মেদ মিয়া বাড়ি থেকে সুলতান মিয়ার বাজার পর্যন্ত প্রায় ২ কিঃ খালটির উপর আব্দুল অদুদ পাটওয়ারী বাড়ির সামনে একটি, সিরাজুল হক খনকার বাড়ির সামনে একটি ও খালের মাঝামাঝি পথে একটি মোট তিনটি বাঁধ দিয়ে অসংখ্য খুঁটি জাল, টানা জাল ও ঝোপ দিয়ে মাছ শিকারের মহোৎসবে মেতে ওঠায় কৃষকদের জন্য এ সর্বনাশ বয়ে এনেছে৷

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, জিয়া উদ্দিন সোহাগ নারী নির্যাতন, ধর্ষণ, চাঁদাবাজি ও জুয়া খেলা, একাধিক বিয়ে, অহেতুক ঝগড়ার সৃষ্টি এবং স্টাম রেখে সুদের কারবার সহ অসামাজিক ও রাস্ট্র বিরোধী কার্যক্রমের সাথে জরিত৷ প্রায় ১৩টি মামলার আসামি তিনি৷ তার বাবা বশির আহাম্মেদ নিজে বাদী হয়ে ছেলে সোহাগের অত্যাচারের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেছেন৷ অসংখ্য মামলার আসামি হয়েও বহালতবিয়তে অপরাধ করে যাচ্ছে আছলামপুর এলাকায়৷

সরকারি রাস্তা থেকে ফরেস্টের গাছ কেটে তার বাসার আসবাবপত্র তৈরি এবং অন্য মানুষের নিকট বিক্রি করার একাধিক অভিযোগ পাওয়াও গেছে সোহাগের বিরুদ্ধে৷

আছলামপুর ইউপি চেয়ারম্যান এ কে এম সিরাজুল ইসলাম জানান, জিয়া খালের উপর বাঁধ নির্মাণ করে পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ করার অভিযোগ নিয়ে কেউ আসেনি৷ অভিযোগ পেলে উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় সঠিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে৷

এ প্রসঙ্গে জিয়া উদ্দিন সোহাগের সাথে মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করলেও সাংবাদিক পরিচয় শুনে ফোন কেটে দেয়ায় তার বক্তব্য নেয়া যায়নি৷