ভোলা ভেলুমিয়া প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে মিথ্যা মামলার অভিযোগ!

প্রকাশিত: ২:৫৫ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৪, ২০২০

ভোলা ভেলুমিয়া ৫ নং ওয়ার্ড চন্দ্র প্রসাদ গ্রামের মৃত সামছুল হক হাওলাদারের ছেলে আঃ সাত্তার হাওলাদার (৫৫)। পেশায় জেলে। একই বড়ীতে আপন বড় ভাই সুপিয়ান মাঝি (৫৮) ও তার দুই ছেলে মনির (৩২), ফরিদ (৩৭) সহ বসবাস করে আসছে। মাঝে মধ্যে ভাই ভাতিজার সাথে বিভিন্ন বিষয়ে বিরোধ চলছিলো ছত্তার মাঝির।
জানা যয়, ২০১৯ সালের গত ৩ জানুয়ারী রাত ৮ ঘটিকার সময় ভেলুমিয়া বাজার থেকে শাহ হাওলাদারের ছেলে তাজলের মটর সাইকেলের পিছনে চড়ে বাসায় ফেরার পথে আলী হোসেন খাঁ বাড়ীর উত্তর পাসে পড়ে গিয়ে এক পা ভেঙ্গে যায় এবং চামরা ছিরে পুরুষাঙ্গের অন্ড কোষ বের হয়ে মারাত্মক আহত হন আঃ সাত্তার মাঝী।
ওই ঘটনায় বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল দির্ঘ দিন চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ী ফিরেন তিনি।

গত ৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ তারিখে রাত ১০ ঘটিকার সময় আঃ সাত্তার ও তার ভাই সুপিয়ান মাঝি, ভাতিজা মনির ও ফরিদের সাথে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে উভয় গ্রুপের মাঝে মার মার মারি হয় এবং দুই পক্ষই রাতে ভোলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাত্তার মাঝি প্রায় ২ বছর পূর্বের মটর সাইকেলের দূর্ঘটনায় চামরা ছিড়ে অন্ড কোষ বের হওয়ার ঘটনা নতুন করে মিথ্যা নাটক সাজিয়ে ৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ তারিখে সাত্তার হাওলাদার বাদী হয়ে ভাই ও ভাতিজাদের আসামী করে ভোলা সদর থানায় মামলা করেন।
ওই মামলার আসামী মনির জানান, ভোলা থানায় মামলা হলে ভেলুমিয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে এস আই সমেছ আলীকে মামলাটি তদন্ত করতে দেওয়া হলে এস আই সমেছ তদন্ত ছাড়াই ভোলা সদর হাসপাতাল থেকে ফেরার পথে ভেলুমিয়া থেকে মনিরকে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে পাঠায় পুলিশ।

এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই সমেছ জানান, মামলা তদন্ত করে নিয়ম মেনেই আসামী গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাদীর মেডিকেল রিপোর্ট এর জন্য আবেদন করেছি, এখনো পাইনি। মেডিকেল রিপোর্ট হাতে পেলে সঠিক ঘটনা বেরিয়ে আসবে।