পৌরবাসীর সেবক হতে চান পুঠিয়ার ছাত্রলীগ নেতা শরিফুল ইসলাম টিপু

প্রকাশিত: ৬:৫০ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ২০, ২০২০

লিয়াকত রাজশাহীঃ রাজশাহীর পুঠিয়া পৌরসভার আগামী নির্বাচনে মেয়র পদপ্রার্থী হচ্ছেন উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম টিপু। রাজশাহী বিভাগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক পটভূমির অন্যতম হচ্ছে এই পুঠিয়া উপজেলা। আর এই পুঠিয়া উপজেলা সদরকে কেন্দ্র করে ২০০১ সালে পুঠিয়া পৌরসভা গঠন করা হয়। পৌরসভায় নির্বাচন খুবই সন্নিকটে। এরই মধ্যে বিভিন্ন দলের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা তাদের প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন, করছেন গণ-সংযোগও।

তবে সবাইকে চমক দিয়ে সামনে পৌর নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হচ্ছেন সাবেক এই তুখোড় ছাত্র নেতা শরিফুল ইসলাম টিপু। তিনি বর্তমানে দলিল লেখক সমিতির ‘‘ক্যাসিয়ার” পদে দায়িত্ব পালন করছেন।

জানা গিয়েছে, তিনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ থেকে মনোনয়ন চাইবেন। তারুণ্যর প্রতিক সাবেক এই ছাত্রনেতা বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে, রাজনৈতিক ব্যক্তিদের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ ও নৈতিকতার অভাব রয়েছে এবং বেশিরভাগ জনপ্রতিনিধিরাই হয়ে গেছেন আত্মকেন্দ্রিক যা বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা নির্মাণের জন্য একটি বড় বাধা। পুঠিয়া পৌরসভা একটি নামকরা পৌরসভা হলেও এখানকার জনগণ পাচ্ছে না তাদের কাঙ্খিত সুযোগ-সুবিধা। পৌরসভায় দৃশ্যমান নানা সমস্যার সমাধান হচ্ছে না কোনোভাবেই। এরই ফলশ্রুতিতে পুঠিয়া পৌরবাসী আগামী নির্বাচনে খুঁজে নিবেন তাদের যোগ্য সেবককে।

তিনি আরও বলেন, দল যদি আমাকে যোগ্য মনে করে সুযোগ দেয়, ভোটে নির্বাচিত হয়ে পৌরবাসীর সকল সমস্যা সমাধানে সর্বদা কাজ করে যাবো। তিনি আশা করেন অতীতের সকল মানবিক কর্মকান্ড ও সামাজিক নানা দুর্যোগে তার আত্মসেবা বিশ্লেষণ করে তাকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কর্তৃক মনোনয়ন দেওয়া হবে বলে আশাবাদী।

আগামী পৌর নির্বাচনে শরিফুল ইসলাম টিপু ছাড়াও রয়েছে এক ঝাঁক তরুন সহ রয়েছে ক্ষমতাসীন দলের একাধিক প্রার্থী। মনোনয়ন প্রত্যাশী যাদের মধ্যে রয়েছেন, বর্তমান মেয়র ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি রবিউল ইসলাম রবি, রাজশাহী জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তরুন ছাত্রনেতা হাবিবুর রহমান হাবিব, প্রথম শ্রেণীর ঠিকাদার যুবলীগ নেতা, পৌর আ’লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক খালেদ হোসেন লালন, পৌর আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়ার রহিম কনক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও আওয়ামীলীগ নেতা ইব্রাহিম সরকার, পৌর আ’লীগের সভাপতি আবু বাক্কার, সাবেক ছাত্রনেতা সাখাওয়াত হোসেন বাসার প্রমুখ ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র রয়েছে বেশকিছু প্রার্থী। যার মধ্যে অন্যতম, সাবেক পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র আসাদুল হক আসাদ, থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান কমিটির যুগ্ম-আহবায়ক আল মামুন খাঁন, সাবেক পৌর যুবদলের সাধারণত সম্পাদক ও সাবেক বিএনপির সেক্রেটারী বাবুল মিয়া, বিএনপি নেতা প্রভাষক মো.আবুল হোসেন প্রমূখ।

পৌরবাসীরা বলেন, ২০০১ সালে এই পৌরসভা গঠন করা হয়। সাবেক ছাত্রলীগ নেতা টিপু বলেন, পৌরসভা গঠনের পর থেকে ১৯ বছর অতিবাহিত হলেও এলাকাবাসী নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। এমনকি পৌরসভার নিজস্ব কোনো ভবন বা ঠিকানাও আজ পর্যন্ত হয়নি। দায়িত্বপ্রাপ্তরা শুধু রুটিন মাফিক দায়সারা কাজ করে চলেছেন। বিগত সময়ে জনগনের নানা সমস্যায় যারা পাশে ছিলেন এমন প্রার্থীকেই তার দল মূল্যায়ন করবে বলে আশা করছেন।