ভোলা-চরফ্যাশন হাসপাতালে প্রবেশের প্রধান সড়কটি এখন মরণ ফাঁদ

প্রকাশিত: ৫:১৩ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৬, ২০২০

আমিনুল ইসলাম, চরফ্যাশন প্রতিনিধি৷৷

ভোলা-চরফ্যাশন উপজেলার প্রায় ৫ লাখ জনগণের একমাত্র নির্ভর যোগ্য চিকিৎসা সেবা কেন্দ্র চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স৷ এ কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসা মানুষের প্রবেশের প্রধান সড়কটি যেন এক মরণফাঁদ৷

মঙ্গলবার (৬অক্টোবর) বেলা ১১ টায় সরেজমিনে দেখা যায়, চরফ্যাশন বাজারের সদর রোড শরীফ পাড়া থেকে চরফ্যাশন হাসপাতালের প্রধান গেট পর্যন্ত আনুমানিক আধা কিলোমিটার রাস্তার এতটাই বেহাল দশা যে, চরফ্যাশন উপজেলার ১,৪৪০.০৪ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের মধ্যে কোথাও এমন রাস্তা খুঁজে পাওয়া যাবে না৷ রোগী এবং সাধারন জনগন নির্বিঘ্নে এ রাস্তাটুকু অতিক্রম করে হাসপাতালে পৌঁছা এখন অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে৷

অনুসন্ধানে দেখা যায়, পুরো সড়কের কার্পেটিং ভেঙ্গে ইট বা পাথরের খোয়া বেরিয়ে বৃষ্টির পানি আর বিরামহীন বিভিন্ন প্রকারের যানবাহন চলাচলে অসংখ্য বড় বড় গর্ত মরণফাঁদের রূপ নিয়েছে৷ চরফ্যাশন উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে হাসপাতালের উদ্দেশ্যে ছুটে আসা রোগী, বিশেষ করে গর্ভবতী মায়েদের বহনকৃত যানবাহন বড় বড় গর্তের ঝাকুনিতে চিৎকার করতেও শোনা গেছে৷ প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে যাত্রী বহনকারী কোন না কোন পরিবহন৷

এছাড়াও দেখা যায়, গুরুত্বপুর্ন এ সড়কের পাশে সাধারণ জনগণ নিরাপদে চলাচলের ফুটপাতগুলো দখল করে নিয়েছেন ঔষধের দোকান বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের স্টার্ন সাইনবোর্ড, চায়ের দোকানের বসার টুল, দোকান মালিকদের মালামালের কাটুন আর ডাক্তার ভিজিটে আসা অসংখ্য ঔষধ কোম্পানির রিপ্রেজেন্টিভের মোটরসাইকেল দিয়ে৷ এ যেন এক হ-য-ব-র-ল অবস্থা৷

চরফ্যাশন হাসপাতালে রোগী নিয়ে আসা স্কুল শিক্ষিকা খাদিজা বেগম জানান, দীর্ঘ দিন ধরে হাসপাতালে প্রবেশের গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি চলাচলের এমন অনুপযোগী হয়ে আছে তা কর্তৃপক্ষের নজরে না আসার কারণ খুঁজে পাইনা৷ আমরা আশা করি দ্রুত সময়ে এ সড়কটি রোগী এবং সাধারণ মানুষের নিরাপদে চলাচলের ব্যবস্থা গ্রহণে কর্তৃপক্ষ দৃষ্টি রাখবেন৷

চরফ্যাশন পৌরসভা ৫নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আকবর হাওলাদার জানান, মহামারী করোনার প্রভাবে কাজের অগ্রগতিতে কিছুটা বিঘ্ন ঘটায় এসকল রাস্তাগুলো সংস্কারের কাজ বিলম্ব হচ্ছে৷ এ সড়কের টেন্ডারের কাজ প্রক্রিয়াধীন আছে৷ আশা করি অল্প সময়ের মধ্যে সমস্যার সমাধান হবে৷

পৌর মেয়র বাদল কৃষ্ণ দেবনাথ বলেন, বিষয়টি আমার নজরে এসেছে৷ প্রক্রিয়ার কারণে কিছুটা বিলম্ব হলেও স্বল্প সময়ের মধ্যে রাস্তাটি মেরামত করে জনসাধারণের