আমন ফসল তলিয়ে কৃষকেরা দিশেহারা মাহবুবুর চেয়ারম্যান

প্রকাশিত: ৯:৩৫ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ৫, ২০২০

সাহাবুল ইসলাম সাঘাটা উপজেলা প্রতিনিধিঃ

গত কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে ও পাহাড়ী ঢলে গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলা আলাই নদীর পানি আবারো বৃদ্ধি পেয়েছে। সেই সাথে নদী ভাঙ্গন তীব্র আকার ধারণ করেছে। নিচু এলাকা গুলো প্লাবিত হয়ে আমন ফসল তলিয়ে গেছে।
আলাই ও কাটাখালী নদীর ভাঙ্গনে সাঘাটা উপজেলার ৫নং কচুয়া ইউনিয়নের রামনগর, পশ্চিম কচুয়া, চন্দনপাঠ বড়াইকান্দি সতিতলতা গ্রামের
৩শতাধিক পরিবার বসতভিটা হারিয়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে।
তবে জরুরী ভিত্তিতে নদী ভাঙ্গন রোধে কার্যকরি পদক্ষেপ গ্রহণ করা দরকার।
এবারের বন্যায় উপজেলার কচুয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম সহ বোনারপাড়া ইউনিয়নের বাটি, দলদলিয়া, দূর্গাপুর গ্রামসহ প্রায় ৩০টি গ্রামের কৃষকদের আমন ফসল তলিয়ে গেছে। এসব এলাকার কৃষকেরা হতাশায় ভুগছে। একদিকে গো-খাদ্যের সংকট দেখা দিয়েছে অন্যদিকে এবারের বন্যায় আমন ফসল তলিয়ে যাওয়ায় কৃষকদের মরণ ছাড়া কোন উপায় নাই।
৫ নং কচুয়া ইউনিয়ন পরিষদের সম্মানিত চেয়ারম্যান জনাব মাহবুবুর রহমান জানান, পরপর ৩ দফা বন্যায় কৃষকদের মেরুদন্ড ভেঙ্গে গেছে। আমন ফসল তলিয়ে যাচ্ছে। অবিরাম বর্ষণে বেগুন, মরিচ, শাক-সবজির জমিগুলোতে বৃষ্টির পানি জমে নষ্ট হয়েছে। এদিকে নিত্য প্রয়োজনীয় চাল ও তরিতরকারির মূল্য দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ায় কৃষকেরা দিশেহারা হয়ে পড়েছে। ত্রিমোহনী থেকে ওসমানেরপাড়া গ্রামের শেষ সীমানা পর্যন্ত আলাই কাটাখালী নদীর তীরবর্তী বেড়িবাঁধ দিলে বন্যায় ফসলের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পাবে।