১৪ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ, জেলেদের জন্য ১০ হাজার ৫৬৭ মে.টন ভিজিএফ চাল বরাদ্দ।

প্রকাশিত: ৫:৫৬ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২, ২০২০

অনলাইন ডেস্কঃ এ বছর ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম ১৪ অক্টোবর থেকে ০৪ নভেম্বর পর্যন্ত মোট ২২ দিন সারাদেশে ইলিশ মাছ আহরণ, পরিবহণ, মজুদ, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারী করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। ইলিশ সম্পদ সংরক্ষণে ‘প্রটেকশন এন্ড কনজারভেশন অব ফিশ অ্যাক্ট, ১৯৫০’ এর অধীন প্রণীত ‘প্রটেকশন এন্ড কনজারভেশন অব ফিশ রুলস, ১৯৮৫’ এর অধিন এ নিষেধাজ্ঞা জারী করা হয়। এ সময়কে ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম হিসেবে ধরা হয়েছে।

আজ শুক্রবার (০২ অক্টোবর) মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, জেলেদের জন্য মানবিক খাদ্য সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ১০ হাজার ৫৬৬.৮৪ মেট্রিক টন ভিজিএফ চাল বরাদ্দ করা হয়েছে। এর আওতায় ৩৬টি জেলার ১৫২টি উপজেলায় মা ইলিশ আহরণে বিরত রাখতে তালিকাভূক্ত ৫ লক্ষ ২৮ হাজার ৩৪২টি জেলে পরিবারের জন্য ২০ কেজি হারে ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম শুরুর পূর্বেই এ বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে। এ মৌসুমে গত মৌসুমের তুলনায় অতিরিক্ত ১ লক্ষ ২০ হাজার ২৬৩টি জেলে পরিবারকে এ খাদ্য সহায়তা দেয়া হচ্ছে।
৩০ সেপ্টেম্বর সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের অনুকূলে এ সংক্রান্ত মঞ্জুরী জ্ঞাপন করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। একইসাথে উল্লিখিত ভিজিএফ চাল এর পরিবহণ ব্যয়ও সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের অনুকূলে মঞ্জুরী জ্ঞাপন করা হয়েছে। ভিজিএফ চাল ৩০ অক্টোবর ২০২০ তারিখের মধ্যে উত্তোলন ও সংশ্লিষ্টদের মাঝে বিতরণ সম্পন্ন করার জন্য জেলা প্রশাসকদের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ আহরণে বিরত থাকা নিবন্ধিত ও প্রকৃত জেলেদের মধ্যে এ ভিজিএফ বিতরণ নিশ্চিত করার জন্য বরাদ্দপত্রে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
বরাদ্দপ্রাপ্ত ৩৬টি জেলা হলো ঢাকা (২০ মে. টন), মানিকগঞ্জ (১৫৮ মে. টন), মুন্সীগঞ্জ (৫৯.৪৪ মে. টন), ফরিদপুর (৪৪.৭৪ মে. টন), রাজবাড়ী (৯৪ মে. টন), নরসিংদী (৩০ মে. টন), শরিয়তপুর (৩৮০ মে. টন), মাদারীপুর (৮০ মে. টন), গোপালগঞ্জ (২০.০৪ মে. টন), টাঙ্গাইল (৩৫.৬২ মে. টন), কিশোরগঞ্জ (২০ মে. টন), নারায়ণগঞ্জ (২০ মে. টন), জামালপুর (১৬০ মে. টন), চট্টগ্রাম (৪০০ মে. টন), ফেনী (৫ মে. টন), ব্রাহ্মণবাড়িয়া (১৮ মে. টন), নোয়াখালী (৩০০ মে. টন), লক্ষ্মীপুর (৮০০ মে. টন). চাঁদপুর (১০০০ মে. টন), কক্সবাজার (৪০০ মে. টন), খুলনা (৪২ মে. টন), বাগেরহাট (২৪০ মে. টন), কুষ্টিয়া (৪০ মে. টন), রাজশাহী (৮০ মে. টন), চাঁপাইনবাবগঞ্জ (৪০ মে. টন), নাটোর (১০ মে. টন), সিরাজগঞ্জ (১০০ মে. টন), পাবনা (৬০ মে. টন), গাইবান্ধা (১১০ মে. টন), কুড়িগ্রাম (১৫০ মে. টন), বরিশাল (৯৪০ মে. টন), পিরোজপুর (৩৪০ মে. টন), পটুয়াখালী (১১৬০ মে. টন), ভোলা (২৪০০ মে. টন), বরগুনা (৭৪০ মে. টন) ও ঝালকাঠি (৭০ মে. টন)।