দৌলতখান লঞ্চঘাটে পল্টুন যেন যাত্রীদের মরন ফাদঁ।

প্রকাশিত: ১১:২৫ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২০

ভোলার প্রতিনিধি মোঃ বাবুল রানা

ভোলা জেলার দৌলতখান উপজেলার বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামলা লঞ্চ ঘাট পল্টুন টি যাত্রীদের মরন ফাদঁ হিসেবে আবির্ভুত হয়েছে।কয়েক দফা রাক্ষসী মেঘনার ছোবলে লন্ড ভন্ড পল্টুন মেরামত না করার কারনে প্রতিদিন শত শত যাত্রীরা দুর্ভোগে পরতে হচ্ছে।নেই কোন যাত্রী ছাওনি।যাত্রীদের পাশাপাশি মালা মাল উঠা নামা করতে বেগ পেতে হচ্ছে।ব্যবসায়ীদের। লঞ্চে উঠানামা করতে নদীতে পরে যাচ্ছে যাত্রীরা যাতে জীবন হানীর শংকা রয়েছে

ইতিমধ্যে পঙ্গুত্ব বরন করেছে বহু যাত্রী । সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মুখিন ঘাট ইজারাদার। মাত্র ৩ বছরের ব্যবধানে ৭ লক্ষ টাকার ইজারা অর্ধ কোটিতে পৌচ্ছালেও বাড়েনি সেবার মান।। করোনা কালিন সময় লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকলেও ইজারায় কোন পরিবর্তন আসেনি। ফলে বড় ক্ষতির সম্মুখিন হতে হয়েছে ইজারাদারকে।

ভবানীপুর ইউপিতে মেঘনার পাড়ে বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল লঞ্চঘাট।
প্রতিদিন শত শত যাত্রী উঠা নামা করে।ঢাকা- দৌলতখান- চরফ্যাসন, বেতুয়া, লালমোহন,মনপুরা, হাকিমুদ্দিন, মোঙ্গল সিকদার রুটে প্রায় ৬ টি লঞ্চ চলাচল করে।এছাড়াও দৌলতখান টু আলেকজেন্ডার রুটে প্রতিদিন দুটি লঞ্চ চলাচল করে। লঞ্চে উঠার জন্য সিড়ি রয়েছে তা অত্যন্ত সরু। রাস্তা থেকে ঐ সিড়ি পল্টুন পর্যন্ত দেওয়া সম্ভব হয় না দুরত্বর কারনে। বাধ্য হয়ে নদীর মধ্যে সিড়ি ফেলে ঐ সিড়ি থেকে আবার অন্য সিড়ির সংযোগ দিয়ে পল্টুনে উঠতে হয়।
যাতে প্রতিদিন ঘটছে দুর্ঘটনা। উঠতে গিয়ে যাত্রীরা নদীতে পরে যাচ্ছেন ঘটছে দুর্ঘটনা।নাছির (৫০) নামক জনৈক যাত্রী কিছুদিন পুর্বে এরকম দুর্ঘটনায় পড়ে পঙ্গুত্ব বরন করছে।এক ব্যাংক ম্যানেজারের ১০ বছরের বাচ্চা হারিয়েছে তার অঙ্গ।পল্টুন এর কারনে যাত্রী কমে গেছে এ ঘাটে।ঘুর্নিঝড় আম্পান ও সম্প্রতি মেঘনার ভয়াবহ জোয়ারের পানিতে লন্ড ভন্ড হয়ে গেছে পল্টুন টি।দ্রুত মেরামত না করা গেলে ক্ষতিগ্রস্থ হবে ইজারাদার, দুর্ঘটনা পঙ্গুত্ব বরনের আশংকা করছে যাত্রীরা।
ঘাট ইজারাদার মোঃ শফিউল্ল্যাহ জানান তিন বছর আগে এই ঘাট ৭ লক্ষ টাকা ইজারা ছিলো বর্তমানে তা ৪৪ লাক্ষ ৪৪ হাজার ২ শত টাকা।
কিন্তু শুধু উঠা নামার কষ্টের কারনে যাত্রী কমে গেছে।
তা ছাড়া উঠতে গিয়ে একাধীক দুর্ঘটনার কারনে যাত্রীরা ঘাট টি এড়িয়ে চলছে। মালামাল পরিবহন নেই বল্লেই চলে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করেও কোন ধরনের সহায়তা পাওয়া যাচ্ছেনা বরিশাল বিভাগের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ মামুন বলছেন আমরা চেষ্টা করছি তাড়াতাড়ি কাজ শুরু করতে।নৌসংরক্ষন ও পরিচালনা বিভাগের সাথে কথা বলার চেষ্টা করেও সম্ভব হয় নি।বাংলাদেশ অভ্যন্তরিন নৌ কর্তৃপক্ষ ( বিআইডব্লিওটি) এর চেয়ারম্যান কমোডর গোলাম সাদেক বলছেন আম্পানে নৌ বন্দর গুলোর ব্যপক ক্ষতি হয়েছে। যে বরাদ্ধ পেয়েছি তা দিয়ে শিমুলয়া ও পাটুরিয়া ঘাট এর কাজ সম্পর্ন করা হয়েছে।
দৌলতদিয়া সহ ভোলার ক্ষতিগ্রস্থ ঘাট গুলো কাজ শুরু করার জন্য চেষ্টা অব্যাহত আছে।
করোনা ( কোভিড-১৯) এর কারনে একটু সময় লাগছে কাজ সম্পর্ন করতে।অল্প সময়ের মধ্যে শুরু করতে পারবো।যাত্রীদের দাবি সংশ্লিষ্ট বিভাগ বিষয় টি সমাধানের জন্য জরুরি ব্যবস্থা নিবেন।