ভোলা চরফ্যাশন কুকরি মুকরি বেড়িবাঁধে সুইচগেট না থাকায় পানিবন্দি হাজারো মানুষ

প্রকাশিত: ১০:৫০ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১, ২০২০

বরিশাল জেলা প্রতিনিধি:

বেড়িবাঁধের দশটি পয়েন্টে সুইচগেট না থাকায়

টানা বৃষ্টি আর মেঘনা, তেতুলিয়া নদীর ফুঁসে ওঠা জোয়ারের পানি খুব সহজেই ভিতরে ঢুকে তলিয়ে গেছে কুকরি মুকরির গ্রাম থেকে গ্রাম৷ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে হাজারো মানুষ৷ রক্ষা পায়নি গবাদি পশু, মাছের ঘের থেকে সবজির খামার পর্যন্ত৷

সরেজমিনে দেখা যায়, কুকরি মুকরি ইউনিয়ন বেড়িবাঁধে মেঘনা তেতুলিয়া নদীর সাথে সংযুক্ত খালের উপর বিভিন্ন স্থানে ১০টি সুইজগেট নির্মাণের কথা ছিলো৷ কিন্তু এখন পর্যন্ত তার কোন অগ্রগতি নজরে আসেনি৷ বেড়িবাঁধের সে পয়েন্ট দিয়ে খুব সহজেই উজানের পানি ঢুকে প্লাবিত পুরো কুকরি মুকরি ইউনিয়ন৷ অবিরাম বর্ষণ আর নদীর ফুঁসে ওঠা প্রাকৃতিক জোয়ার-ভাটার পানিতে ধ্বংসের পথে নবনির্মিত অধিকাংশ রাস্তা, ফসলি জমি, মাছের ঘের ও সবজির খামার৷ দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে মানুষের চলাফেরা৷ এমন অবস্থায় বেড়িবাঁধের উপর সুইচগেট গুলো নির্মাণ করতে কুকরি মুকরি ইউনিয়নের মানুষের প্রাণের দাবি৷

এ বিষয়ে কুকরি মুকরি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আবুল হাসেম মহাজনের নিকট জানতে চাইলে মুঠোফোনে তিনি জানান, বেড়িবাঁধের উপর সুইজগেট নির্মাণের প্রস্তাব দেয়া হলেও এখন পর্যন্ত কোনো অগ্রগতি হয়নি৷ জোয়ারের পানির বন্দিদশা থেকে কুকরি মুকরি ইউনিয়নের মানুষকে বাঁচাতে বেড়িবাঁধের উপর সুইচ গেট নির্মাণ করা অত্যন্ত জরুরি একটি বিষয়৷

কুকরি মুকরির স্থানীয় বাসিন্দা এইচ এম শাহীন জানান, বেড়িবাঁধের উপর বাবুগন্জ, হাজীপুর, নবীনগর, ভেবাজিয়া খালের পাড়,আমিন পুরসহ এমন ১০ স্থানে সুইস গেট নির্মাণ করলে আমরা মানবেতর জীবনযাপন থেকে মুক্তি পাব৷ এখন পানিবন্দি থাকায় খাদ্য, বিশুদ্ধ পানির অভাব দেখা দিয়েছে৷ অসংখ্য শিশু, নারী ও পুরুষ পানিবাহিত রোগে ভুগছেন৷ দৃষ্টিনন্দন পর্যটন এলাকা কুকরি মুকরি কে বাঁচাতে দ্রুততম সময়ে ভেড়িবাঁধের উপর সুইচগেট নির্মাণ করতে, কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানাচ্ছে এলাকাবাসী৷